যে কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১০ কর্মচারীকে শোকজ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল থেকে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন। এ সময়ে সাধারণ ছুটি হিসেবে ঘোষণা করায় সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সরকারের এ নির্দেশ অমান্য করে গ্রামের বাড়িতে যান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের ১০ জন কর্মচারী। বিষয়টি জানতে পেরে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মন্ত্রণালয়।মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপ সচিব (প্রশাসন) রোকসানা রহমান তাদের শোকজ দিয়ে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শোকজের চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড -১৯ এর বিস্তার রোধে সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল এবং তার অনুবৃত্তিক্রমে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে।এ সময়ে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে মর্মে ঘোষণা করে। কিন্তু এ সময়ে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন মর্মেও ঘোষণা করা হয়।

সরকারের এ আইনসঙ্গত আদেশ অমান্য করে আপনি কর্মস্থল ত্যাগ করে নিজ গ্রামের বাড়িতে গিয়েছেন যা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ বিধি ৩ (খ) অনুযায়ী অসদাচরণ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।এ অসদাচরণের অপরাধে কেন আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার কারণ আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

শোকজ খাওয়া কর্মচারীরা হলেন, উচ্চমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. আকরাম হোসেন, ক্যাটালগার মো. এহসানুল, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মুন্নি আফরোজ, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর খায়রুল ইসলাম, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক তাসলিমা আক্তার, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর মোস্তফা কামাল, অফিস সহায়ক রুমা আক্তার, জুয়েল, সোবাহান আলী ও দেলওয়ার হোসেন।

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!