বাস চালু না করলে ঈদের দিন বিক্ষোভের হুমকি

দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ রেখে করোনা রোধ করা যাবে না বলে দাবি পরিবহন মালিকদের। এছাড়া তারা অবিলম্বে বাস চালুর দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় বাস চালু না হলে ঈদের দিন বিক্ষোভ করবে পরিবহন শ্রমিকরা বলেও হুশিয়ার দেন পরিবহন মালিকরা।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকারঘোষিত চলমান লকডাউন আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। শনিবার (৮ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সড়ক পরিবহন সংশ্লিষ্ট তিনটি সংগঠনের যৌথ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

গত ৬ মে থেকে লকডাউনের মেয়াদ পর্যন্ত জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলেও দূরপাল্লার গণপরিবহনের সঙ্গে লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ‘করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কভিড-১৯)-এর বিস্তার রোধে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে বিধি-নিষেধের সময়সীমা বর্ধিতকরণ’ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে ৫ মের পর যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল আগের মতোই বন্ধ থাকবে।

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!