ইউটিউব দেখে ঘরে সন্তান প্রসব!

কি'শোরীর মা নিজের মে'য়ের গর্ভাবস্থার বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এমনকি সন্তান প্রসবের দুইদিন পর্যন্তও তিনি ঘরে নতুন সদস্যের উপস্থিতিও টের পাননি। সদ্য সন্তানের জন্ম দেয়া ওই কি'শোরীর মায়ের বয়স ৫০ বছর। তিনি চোখে দেখতে পান না। মে'য়েটির বাবা নৈশপ্রহরীর কাজ করেন। মে'য়েটি সারাক্ষণ মোবাইল ফোন নিয়ে নিজের ঘরে দরজা আ'ট'কে থাকত। তার মা ভাবতেন যে মে'য়ে অনলাইন ক্লাস আর পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত।

এতোদিন যেসব কাজ করতে হতো সময় ও অর্থ খরচ করে আর অন্যের সাহায্য নিয়ে, ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ ইউটিউবের কল্যাণে সে ঝক্কি এখন বেশ কম। রান্নাবান্না, লেখাপড়া থেকে শুরু করে বিবিধ জটিল বিষয় ও কাজ ঘরে বসে নিজ হাতে করতে অনেকেই ধারণা নেন ইউটিউব দেখে।কিন্তু তাই বলে ইউটিউব ভিডিও দেখে কেউ সন্তান প্রসবের মতো কাজও করে ফেলবে, এমনটা অকল্পনীয়ই বলা যায়। শুনতে অবিশ্বা'স্য বলে মনে হলেও বাস্তবেই এমন ঘটনা ঘটেছে ভা'রতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায়।

সন্তান প্রসবের পর নাড়ি কা'টার কাজটিও ইউটিউব দেখে নিজের হাতেই করেছে সদ্য মা হওয়া এক কি'শোরী।ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০ অক্টোবর নিজ বাড়িতে সন্তানের জন্ম দিয়েছে ১৭ বছর বয়সী স্কুলপড়ুয়া। সন্তান প্রসবের বিষয়ে কোনোরকম পূর্বধারণা না থাকা ওই কি'শোরী পুরো কাজটি করেছে ইউটিউব থেকে ধারণা নিয়ে।

মালাপপুররাম জে'লার কোন্দোত্তি থা'নার এক পু'লিশ কর্মক'র্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এ ঘটনায় ওই সন্তানের পিতা একই এলাকার ২১ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রে'প্তার করা হয়েছে। এরপরই জানাজানি হয়েছে বিষয়টি।তিনি আরও জানান, কি'শোরীর সঙ্গে প্রে'মের স'ম্পর্ক ছিল ওই যুবকের। দুইজনের পরিবারই তাদের বিয়ের বিষয়েও সম্মত ছিল। কিন্তু ভা'রতের আইনে মে'য়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়সের চেয়ে কি'শোরীর বয়স কম বলে অ'পেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন তাদের অ'ভিভাবকরা।

কোন্দোত্তির পু'লিশ কর্মক'র্তা বলেন, ‘গত মাসে সন্তান জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর সদ্য মা হওয়া ওই কি'শোরী অ'সুস্থ হয়ে পড়ে। অ'সুস্থতা গুরুতর রূপ নিলে তাকে হাসপাতা'লে ভর্তি করা হয়।‘বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গোচরে এলে তারা পু'লিশকে এ বিষয়ে অবহিত করে। এরপর মে'য়েটির বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওই যুবককে গ্রে'প্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় পু'লিশ।’

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!